best technology country in the world 2020 Bangla

best technology country in the world 2020

best technology country in the world 2020

উন্নতির সফল ব্যবহার মানুষের কাছে এনেছে অভাবনীয় অর্জন। একই সঙ্গে পেছনের ক্লান্ত কাজকে বিদায় জানাতে জটিল কাজগুলো সহজ করতে প্রযুক্তি নির্ভরতা বেড়েই চলেছে দিন দিন। তাই বিগত যে কোনো সময়ের চেয়ে এর ভবিষ্যৎ ব্যবহার পরিকল্পনা/ অনেক বেশি। যে দেশের প্রযুক্তি যত উন্নতও, সে দেশ অর্থনৈতিক দিক থেকে বেশী উন্নত। আশ্চর্যজনক সত্য, ইউরোপ এবং আমেরিকার দেশগুলো ছাপিয়ে সারা বিশ্বের উন্নত দেশ তালিকায় উঠে এসেছে অনেক দেশ।

তথ্য প্রযুক্তিতে সর্বশেষ প্রযুক্তি আপডেট | The latest technology updates in IT click here

আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সম্পর্কে ধারণা

যুক্তরাষ্ট্র

world এর অন্যতম জনপ্রিয় স্থান আমেরিকার ক্যালিফোর্নিয়ার অবস্থিত সিলিকন ভ্যালি। 300 বর্গমাইল এলাকাজুড়ে এই জায়গা সানফ্রান্সিস্কো এবং স্যান হোসের সমুদ্র আর পাহাড়ে প্রযুক্তির একটি স্থান। তবে এখানে একটি স্থান নয়, বরং world এর তথ্য প্রযুক্তি, উদ্ভাবন এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের গ্লোবাল center বলা চলে। আবার বর্তমানে সিলিকন ভ্যালিকে প্রযুক্তিও উদ্ভাবনের বাসস্থান হিসেবে উল্লেখ করা হয়। প্রযুক্তি বিশ্বের প্রাণকেন্দ্রও বলা হয়ে থাকে। এখানে আছে প্রযুক্তির স্মার্টআপ company, রয়েছে Facebook, apple, google, Cisco system, Adobe, EBay, Intel, HP সহ নামকরা সব company এর প্রধান আফিস। এগুলোর জন্মও হয়েছে সিলিকন ভ্যালিতে। প্রযুক্তিতে পেশাজীবীদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় এই city। প্রতিনিয়ত নতুন উদ্ভাবন বিশ্ব এগিয়ে যাচ্ছে তাদের আবিষ্কারে। সিলিকন ভ্যালির প্রযুক্তিবিদরা 24 hours শুধু প্রযুক্তি নিয়েই কাজ করে থাকেন। 1995 সালের পর সিলিকন ভ্যালি হয়ে ওঠে internet অর্থনীতি এবং উচ্চ টেকনোলজীর সংক্রান্ত বাণিজ্যিক প্রানকেন্দ্র হিসেবে।

সংযুক্ত আরব আমিরাত,দুবাই

টৈকনোলজীতে কতটা এগিয়ে গেলে world এর বুকে ভিন্ন গ্রহ গড়ে তোলা যায়?? হ্যাঁ, এরকমই অসাধ্য সাধন করতে চাচ্ছে আধুনিক বিজ্ঞান ও টৈকনোলজী নিয়ে বরাবরই কৌতূহলী সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই শহর। শহরটিকে টৈকনোলজী পার্ক হিসেবে সরকার একটি মুক্ত অর্থনৈতিক এলাকা হিসেবে ঘোষণা করেছে। 2014 সালে যাত্রা শুরু করে ‘সংযুক্ত আরব আমিরাত মহাকাশ federation’ নজর দিয়েছে মঙ্গলের গ্রহ এরদিকে। মঙ্গলে মানুষের চলাচল কেমন হবে ও city কেমন হবে তার জবাব দিতে দুবাই কর্তৃপক্ষ স্থাপন করতে যাচ্চে মঙ্গল গ্রহের কল্পিত শহর ‘Mars Science City’। এতে খরচ ধরা হয়েছে 1 কোটি 36 লাখ ডলার। প্রায় 20 লাখ বর্গফুট এলাকার এই city স্থাপনাগুলো তৈরি করা হবে 3D printer। দুবাইয়ের ‘Mars Science City’ ভেতরের থাকবে কৃত্রিম অক্সিজেনসহ মঙ্গলের মতোই পরিবেশ। এর ভিতর গেলে আসল মঙ্গল গ্রহে ঘুরার অভিজ্ঞতাও পাওয়া যাবে।

চায়না

China সিলিকন ভ্যালি হিসেবে পরিচিত একটি city। এর আয়তন 2 হাজার বর্গকিলোমিটার। 1 কোটি জনসংখ্যার এই শহরের প্রধান বৈশিষ্ট্যতে রয়েছে বহু টেকনোলজী company এর প্রধানকার্যলয়। বিশ্বের সর্বোচ্চ টেকনোলজী ব্যবসায়ীরা IT পণ্য কিনতে এখানে জড়ো হয়। পরিষ্কার সুউচ্চ ভবনে শহরে চলে জমজমাট আলোর খেলা। এই শহরে রয়েছে সবুজের খেলা। শুধু এই শহরই নয় টেকনোলজী খাতে গোটা চীনের উন্নতি যেকোনো দেশের জন্য বড় চ্যালেঞ্জও বটে। পূর্বে 20 বছর ধরে china এর প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নিয়েও কারও বেশী মাথা ব্যথা ছিল না। তারা অন্যান্য দেশের টেকনোলজী পণ্যগুলোর কপি করে সস্তায় বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছিল। এর জন্যে china এর পণ্যকে তাচ্ছিল্যের সঙ্গে দেখছিলও মানুষ। তবে তারা এখন ভালো ভাবে মৌলিক গবেষণা এবং টেকনোলজীতে বিনিয়োগ বাড়িয়ে দিয়েছে তাদের সরকার। online ভিত্তিক ব্যবসা Alibaba যুক্তরাষ্ট্রের এলফাবেট, Walmart, Amazon, E-pay সহও বিভিন্ন অনলাইন বাজারের তুলনায়ও অনেক সামনে।

জাপান

টেকনোলজী বিশ্বে জাপানের অবস্থান অনেক সামনে। দেশটিতে নতুন কেউ পা দিয়েই টেরপান ভিন্নতা। এখানকার দ্রুততম যান system থেকে শুরু করে স্মার্টফোনের টেকনোলজী, Robotics এমনকি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তারও সর্বোচ্চ প্রয়োগ আপনাকে আতঙ্কিত করবে। তাদের খাওয়া থেকে শুরু করে বেশ কয়েকটি জীবন বীমা company মানুষের বদলে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাও স্থান করে নিয়েছে। 2020 সালের Olympics খেলার আসরে নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করবে robot। Tech gadgets, next প্রজন্মের মোবাইল, অত্যাধুনিক টেকনোলজী পণ্য ও দ্রুতগতির ট্রেন বানাতে এই শহরটির কোনো জুড়ি নেই। Panasonic, Nikkan, sonny সহ বেশ কিছু টেকনোলজী company জন্ম এখানে।

কানাডা

টেকনোলজী ব্যবসায়ের 40 শতাংশ হয় কানাডা। সুধুতাই নিঃসন্দেহে বলা যায়, টেকনোলজী বিষয়ে বিশ্বের অত্যন্ত গুরুত্ব দেশ এটি। দেশটির মধ্যে আবার বৃহত্তম শহর টরন্টো এটি তেমনি উত্তর আমেরিকারও 4th বৃহত্তম শহরও। একে বলা হয় উত্তরের সিলিকন ভ্যালি। টরন্টোকে মূলত আধুনিক টেকনোলজী অন্যতম স্থানও বলা চলে। world এর বিভিন্ন শীর্ষ company এর আইকন এটি। এই শহরে Facebook, Twitter, LinkedIn, google ছাড়াও বেশ কিছু নামিদামি company এর অফিস আছে। বিশ্বমানের গবেষণা Institute থাকায় এটি যে কারও জন্য টেকনোলজী বিষয়ে বিশ্বস্ত হয়ে আছে। মানুষের জীবন বাঁচানোর জন্যে অত্যাধুনিক টেকনোলজী ব্যবহারে রেখেছে। IPhone এমন একটি app তৈরি করেছে যা তাত্ক্ষণিক হৃদরোগ , স্নায়ুতন্ত্র বিশ্লেষণ করে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণে নির্দেশ দিতে সক্ষমও।

best technology country in the world 2020

Leave a Reply