আপনারা কি জানেন কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি?কম্পিউটার সম্পর্কে বিস্তারিত জানুন

How many types of computers in bangla?

How many types of computers in bangla?

কম্পিউটার কি এটা আর নতুন করে বলার প্রয়োজন পড়বে না।কারন আপনি যখন এই পোস্ট পড়ছেন তখনও হয়তবা কম্পিউটার বা মোবাইল ব্যাবহার করে এই লেখা পড়ছেন। এরপরেও আমি সংক্ষেপে বলছি কম্পিউটার কি? কম্পিউটার এমন একটি ইলেক্ট্রনিক যন্ত্র যা একসাথে অনেক গুলো কাজ খুব নিখুত ভাবে এবং সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে পারে।অন্যান্য ইলেক্ট্রনিক যন্ত্রে একসাথে আপনি তিন চারটি বেশী কাজ করতে পারবেন না।কম্পিউটার এর প্রধান বৈশিষ্ট্য হল কম্পিউটার একসাথে মিলিয়ন মিলিয়ন তথ্য সংরক্ষন করতে পারে এবং এবং নির্ভুল ভাবে এর ব্যাবহারকারীর আদেশ নির্দেশ পালন করতে পারে। How many types of computers in bangla? সর্ম্পকে জানতে শেষ পর্যন্ত পড়ুন। কম্পিউটার এর শব্দ মূলত গ্রিক শব্দ Compute হতে এসেছে। Compute এর শব্দের মর্মার্থ হল গননা করা। প্রথম দিকে কম্পিউটার এর গননা করার উপযোগী জন্য আবিস্কার করা হলেও এখন কম্পিউটার শুধু গননা করার কাজে সীমাবদ্ধ নেই। একটি কম্পিউটার দিয়ে কি কি কাজ করা যায় তা আপনার মোটেই অজানা নয়।আজকে এই আর্টিকেল এর মাধ্যমে আমরা জানবো কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি? এবার তাহলে চলুন শুরু করা যাক।

How many types of computers in bangla?

কম্পিউটার কে সাধারণত প্রধান দুই ভাগে ভাগ করা হয়েছে। যেমন সাধারণ ব্যাবহারকারীর কম্পিউটার এবং বিশেষ ব্যাবহারকারীর কম্পিউটার এই ভাবে ভাগ করা হয়েছে। আবার আকার আয়তন এবং কম্পিউটার এর গঠন মালার উপর নির্ভর করে কম্পিউটার কে তিন তিনটি ভাগে ভাগ করা যায়।যেমনঃ এনালগ কম্পিউটার ,ডিজিটাল কম্পিউটার এবং হাইব্রিড কম্পিউটার।আকার সামর্থ্য কাজের চাপ নেওয়ার ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে ডিজিটাল কম্পিউটারকে আবার চার ভাগে ভাগ করা যায়।যেমনঃ মাইক্রো, মিনি, মেইনফ্রেম এবং সুপার কম্পিউটার।

মাইক্রো কম্পিউটারকে আমরা তিন ভাগে ভাগ করতে পারি।যেমন ল্যাপটপ কম্পিউটার, ডেক্সটপ কম্পিউটার এবং সুপার মাইক্রো কম্পিউটার। ল্যাপটপ কম্পিউটারকে আমরা দুই ভাগে ভাগ করতে পারি। যেমন নোট বুক এবং পিডিএ।

এখন আমরা কম্পিউটার এর শ্রেণী বিভাগ সম্পর্কে বিস্তারিত জানাবো:-
এনালগ কম্পিউটার:- যে কম্পিউটার গুলো একটি রাশির সাপেক্ষে অন্য যেকোনো একটি রাশি পরিমাপ করতে পারে এমন কম্পিউটার তাকে এনালগ কম্পিউটার বলে। সাধারণত তাপ এবং গতি এসব রেকর্ড করার জন্য এনালগ কম্পিউটার ব্যাবহার করা হয়ে থাকে সব থাইকা বেশি। মোটর গাড়ির ডিজিটাল মিটার এনালগ কম্পিউটার এর একটি উৎকৃষ্ট উধারন পাওয়া যায়|

ডিজিটাল কম্পিউটার:- ডিজিটাল কম্পিউটার সাধারণত শূন্য এবং এক এর উপর নির্ভর করে কাজ করে থাকে। এই শূন্য এবং এক কে বিট বলাও হয়।আধুনিক সব কম্পিউটারই সুন এবং এক এর উপর নির্ভর করে কাজ করে থাকে। এই শূন্য এবং এক মূলত ইলেকট্রিক ভোল্টেজও বলা হয়ে থাকে। আধুনিক সব কম্পিউটার শূন্য এবং এক কে গননা করে যোগ,বিয়োগ,গুন,ভাগ ইত্যাদি সকল কাজও করতে পারে। আধুনিক সকল কম্পিউটার ডিজিটাল কম্পিউটার হয়।

হাইব্রিড কম্পিউটার:- হাইব্রিড কম্পিউটার মূলত এনালগ এবং ডিজিটাল কম্পিউটার এর সমন্বয়ে তৈরি হয়ে থাকে এবং এটি ডিজিটাল এবং এনালগ সকল প্রকার কাজ কর্ম সম্পূন করতে পারে। হাইব্রিড কম্পিউটার মূলত বড় বড় গবেষণার কাজে ব্যাবহার করা হয়। হাইব্রিড কম্পিউটার দিয়ে এনালগ পদ্ধতিতে তথ্য সংগ্রহ করা হয়ে থাকে এবং তা ডিজিটাল পদ্ধতিতে হিসাব নিকাশ করে ফলাফল প্রকাশ করা হয়ে থাকে। যেমন দেখুন আবহাওয়া অধিদপ্তর এর আবহাওয়ার পুরবভাস হাইব্রিড কম্পিউটার এর কাজের প্রতক্ষ উধারন।

মিনি কম্পিউটার:- যে কম্পিউটার টার্মিনাল এর সাথে যুক্ত হয়ে অনেক কম্পিউটার ব্যবহারকারী যুক্ত হয়ে একসাথে কাজ করতে পারে সেটি মিনি কম্পিউটার। বিভিন্ন অফিসে মিনি কম্পিউটার এর ব্যাপক ব্যাবহার দেখা যাচ্ছে । How to be safe in online bangla?

মাইক্রো কম্পিউটার:- আমি আপনি সাধারণত যে কম্পিউটার ব্যাবহার করি তা মাইক্রো কম্পিউটার। এই কম্পিউটার গুলি সাধারণত মাদারবোর্ড চিপ, প্রসেসর র‍্যাম ইত্যাদি সহযোগে গঠিত হয়ে থাকে।

সুপার কম্পিউটার:- সুপার কম্পিউটার গুলি খুব দ্রুত কাজ করতে পারে এবং এই কম্পিউটাকে পৃথিবীর সব চাইতে দ্রুত গতি সম্পন্ন কম্পিউটার বলা যায়।এর কাজের গতি প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১ বিলিয়ন ক্যারেক্টরের মোত। এই কম্পিউটার দিয়ে অনেক বড় বড় হিসাব করা হয় এবং তথ্য সংরক্ষনও করা হয়। যেমন কোন দেশের আদমশুমারি এর মত কাজ গুলো সুপার কম্পিউটার এর মাধ্যমে করা হয়।

সাধারণত কম্পিউটার দ্বারা কোন কাজ করতে হলে সেখানে সফটওয়্যার অস্বাভাবিক প্রয়োজন হয়। সফটওয়্যার কম্পিউটার নেতৃত্ব করে থাকে। এটি কম্পিউটারকে দিয়ে কার্য চালায়। সফটওয়্যার হচ্ছে কম্পিউটারের নির্দেশমালা। আপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের একটি দরকারি অংশ। অপারেটিং সিস্টেম না থাকলে কম্পিউটারের মেশিনের কলকব্জা সহিত অথবা কোন প্রোগ্রাম দ্বারা কাজ করা যেত না। অপারেটিং সিস্টেমের জন্য মানুষ খুব আরামে কম্পিউটার সুবিধা করতে পারছে। সুতরাং কম্পিউটার শিক্ষার ক্ষেত্রে অপারেটিং সিস্টেম অতিশয় গুরুত্ববহ। অপারেটিং সিস্টেম কম্পিউটারের প্রোগ্রাম পরিচালনার জন্য মানানসই পরিবেশ তৈরি করে থাকে। কম্পিউটার পরিচালনায় অপারেটিং সিস্টেম প্রথমত:- একটি সিস্টেম সফটওয়্যার। অর্থাৎ যে সফটওয়্যার কম্পিউটারের বিভিন্ন অংশের মধ্যে সমন্বয় সাধন করে কম্পিউটারের সামর্থ্যকে কাজে লাগিয়ে এপ্লিকেশন সফটওয়্যার গুলোকে চালনা করে তাহারাই হচ্ছে আপারেটিং সিস্টেম। অন্যভাবে বলা যায় কম্পিউটারের স্বীয় যে সব প্রোগ্রাম ব্যবহ্রিত হয় তাকেই অপারেটিং সিস্টেম বলা হয়। How many types of computers in bangla? এ লেখাটি সর্ম্পকে ও আরও কিছু জানতে নিচে কমেন্ট করে আমাদের জানাবেন।

তাহলে আজকের এই পোস্ট এর মাধ্যমে আমরা জানতে পারলাম কম্পিউটার কত প্রকার ও কি কি? আমি আমার জ্ঞানের পরিধি থেকে এই পোস্ট টি লিখেছি। আপনার কাছে যদি এই পোস্ট সম্পর্কে আরও কোন গুরুত্বপূর্ণ ইনফোরমেশন থাকে তাহলে তা এই পোস্ট এর কমেন্টে জানাবেন। যদি তা প্রকাশ করার মত হয় তাহলে আমরা আপ্নাএ সেই তথ্য অবশ্যই এই পোস্টে যুক্ত করে দিব। আর এই পোস্ট সম্পর্কে মতামত অবশ্যই জানাবেন, কারন আপনার মতামত আমাকে পরবর্তীতে লিখতে উৎসাহ দিবে।

Leave a Reply